দম্ভ পতনের সিঁড়ি। বিনয় হচ্ছে উঁচু মর্যাদার সোপান।”
শেখ হাসিনা আপনি শাপলার শহীদ’দের ঠাট্টা বিদ্রুপ করেছিলেন, তারা নাকি রং মেখে শুয়েছিলো, আরো কত কি!?
কোথায় গেলো আপনার পাওয়ার!?
ইতিহাস দুই শ্রেণীর মানুষকেই মনে রাখে:
১/ ইনসাফওয়ালা’দের
যেমন: নবী সুলাইমান আ.
খলিফা উমর রাদি. নুশিরাওয়া বাদশাহ, যুরকারনাইন বাদশাহ প্রমুখ।
ইনসাফের ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা বলেন:
وَأَقْسِطُوا ۚ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُقْسِطِينَ
“ইনসাফ করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন।”
(সূরা মুমতাহিনা: ৮)
إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُقْسِطِينَ
“নিশ্চয়ই আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন।”
(সূরা হুজুরাত: ৯)
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
ٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ سَبْعَةٌ يُظِلُّهُمْ اللهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فِي ظِلِّهِ يَوْمَ لاَ ظِلَّ إِلاَّ ظِلُّهُ إِمَامٌ عَادِلٌ وَشَابٌّ نَشَأَ فِي عِبَادَةِ اللهِ وَرَجُلٌ ذَكَرَ اللهَ فِي خَلاَءٍ فَفَاضَتْ عَيْنَاهُ وَرَجُلٌ قَلْبُهُ مُعَلَّقٌ فِي الْمَسْجِدِ وَرَجُلاَنِ تَحَابَّا فِي اللهِ وَرَجُلٌ دَعَتْهُ امْرَأَةٌ ذَاتُ مَنْصِبٍ وَجَمَالٍ إِلَى نَفْسِهَا قَالَ إِنِّي أَخَافُ اللهَ وَرَجُلٌ تَصَدَّقَ بِصَدَقَةٍ فَأَخْفَاهَا حَتَّى لاَ تَعْلَمَ شِمَالُهُ مَا صَنَعَتْ يَمِينُهُ.
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সাত রকমের লোক, যাদেরকে আল্লাহ্ ক্বিয়ামাতের দিন তাঁর ছায়ায় আশ্রয় দেবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ছাড়া অন্য কোন ছায়া হবে না।
তাদের মধ্যে একজন হল — ন্যায়পরায়ণ শাসক।”
— সহীহ বুখারী: ৬৮০৬
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:
“আদল (ন্যায়বিচার) করো, কেননা আদল কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের ছায়ায় স্থান দেবে।”
হযরত ওমর (রাযি.) বলেন:
“ইনসাফ ছাড়া কোনো রাষ্ট্র টিকতে পারে না, যতই তা মুসলিম রাষ্ট্র হোক না কেন।”
২/ জালেম’দের যেমন ফেরাউন, নমরুদ, হামান, কারুন, শাদ্দাদ, হালাকু খান ইত্যাদি
“জালেমদের কে ইতিহাস মনে রাখে -সময়ে পাওয়া বুঝিয়ে দেয়
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ الْمَاجِشُونُ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ “ الظُّلْمُ ظُلُمَاتٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ”.
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যুলুম কিয়ামতের দিন অনেক অন্ধকারের রূপ ধারণ করবে। (সহিহ বুখারী ২৪৪৭)
ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রাহি.)বলেন:
“যে জুলুম করে, সে যত শক্তিশালীই হোক না কেন, আল্লাহ তা’আলার আদালতের সামনে সে এক অসহায় অপরাধী।”
জুলুম এক পাওনা তার প্রতিশোধ আল্লাহ তায়ালা নিবেন ই (হয়ত দূনিয়া নাহয় আখিরাতে)
” মানুষের উপর জুলুম করতে নেই, কেননা মজলুমের দোয়া আল্লাহর আরশ স্পর্শ করে, তার মাঝে কোনো পর্দা থাকে না।”
“আল্লাহ জালেমকে অবকাশ দেন, কিন্তু পাকড়াও করলে এমনভাবে করেন যে কেউ তাকে ছাড়াতে পারে না।”
লেখক: মুফতি খাদেমুল ইসলাম নূর
ফাযেল: দারুলউলুম দেওবন্দ, ভারত