আসমান থেকে ফিতনা আসা
যেমনটা
#বর্তমানে AI
(Artificial intelligence- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স)
স্যাটেলাইট, মিডিয়া, ইন্টারনেট ও সাইবার
এই হলো ফেতনা- যা কেয়ামতের ছোট আলামত
এবং কা ফে র দের হাতিয়ার।
#ড্রোন হামলা, মহাশক্তির আকাশপথে ফেতনা বা দমননীতি—তাও এর আওতায় পড়ে।
আল্লাহ তায়ালা বলেন:
> فَارْتَقِبْ يَوْمَ تَأْتِي السَّمَاءُ بِدُخَانٍ مُبِينٍ
“অপেক্ষা করো যেদিন আসমান থেকে প্রকাশ্য ধোঁয়া আসবে।”
(সূরা আদ-দুখান: আয়াত ১০)
অন্যত্রে আল্লাহ তায়ালা বলেন:
> قُلْ هُوَ الْقَادِرُ عَلَى أَنْ يَبْعَثَ عَلَيْكُمْ عَذَابًا مِّن فَوْقِكُمْ
“বলুন, তিনি (আল্লাহ) সবরকম শক্তিমান, তিনি তোমাদের উপর থেকে আযাব পাঠাতে সক্ষম।”
(সূরা আন’আম: আয়াত ৬৫)
يُوشِكُ أَنْ يَنْزِلَ بِكُمْ أَهْلُ الشَّامِ فِتْنَةٌ تَكْسِرُ قُلُوبَ الرِّجَالِ كَمَا تُكْسَرُ الأَوَانِي.
“অচিরেই শামের (সিরিয়ার) দিক থেকে এমন ফিতনা আসবে, যা মানুষের হৃদয়কে এমনভাবে চূর্ণ-বিচূর্ণ করবে, যেমন কাঁচের পাত্র ভেঙে ফেলা হয়।” ( তাবারানি)
#আসমান থেকে ফিতনা আসার-
রাসূল ﷺ বলেন:
“يكون في هذه الأمة خسف، ومسخ، وقذف.”
সাহাবীরা বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! কখন?”
তিনি বললেন: “إذا ظهرت القينات، والمعازف، وشربت الخمور.”
“এই উম্মতের মধ্যে ধ্বস, বিকৃতি (মানুষের রূপ পরিবর্তন), আর আকাশ থেকে বৃষ্টি নয় বরং নিক্ষিপ্ত শাস্তি হবে।
যখন গায়িকা নারীরা, বাদ্যযন্ত্র এবং মদ ব্যাপক হয়ে পড়বে।
(তিরমিযী ২২১২, ইবনু মাজাহ ৪০২০, সহীহ)
عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ رضي الله عنها قَالَتْ:
> أَفَنَهْلِكُ وَفِينَا الصَّالِحُونَ؟
قَالَ: نَعَمْ، إِذَا كَثُرَ الْخَبَثُ.
যাইনাাব (রাযি.) বলেন, আমি রাসূল ﷺ-কে জিজ্ঞেস করলাম:
“হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি ধ্বংস হব, যখন আমাদের মধ্যে নেককার লোক থাকবে?”
তিনি বললেন: “হ্যাঁ, যখন পাপাচার বৃদ্ধি পাবে।”
(সহীহ বুখারী , মুসলিম)
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
> “لا تقوم الساعة حتى يُقبض العلم، وتكثر الزلازل، ويتقارب الزمان، وتظهر الفتن…”
—
“কিয়ামত আসবে না যতক্ষণ না—ইলম উঠিয়ে নেওয়া হবে, ভূমিকম্প বেড়ে যাবে, সময় ঘন ঘন চলে যাবে, আর ফিতনা প্রকাশ পাবে…”
(সহীহ বুখারী ও মুসলিম)
কুফফার রা আমাদের কে উপর থেকে মারতেছে
স্যাটেলাইট,ড্রোন হামলার মাধ্যমে যেমনটা আমরা গাজায় দেখতেছি
অথচ আল্লাহ তায়ালা র আদেশ ছিলো আমাদের জন্য সমর্থ্য অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া।
আল্লাহ তায়ালা বলেন:
وَأَعِدُّوا۟ لَهُم مَّا ٱسۡتَطَعۡتُم مِّن قُوَّةࣲ وَمِن رِّبَاطِ ٱلۡخَیۡلِ تُرۡهِبُونَ بِهِۦ عَدُوَّ ٱللَّهِ وَعَدُوَّكُمۡ وَءَاخَرِینَ مِن دُونِهِمۡ لَا تَعۡلَمُونَهُمُ ٱللَّهُ یَعۡلَمُهُمۡۚ وَمَا تُنفِقُوا۟ مِن شَیۡءࣲ فِی سَبِیلِ ٱللَّهِ یُوَفَّ إِلَیۡكُمۡ وَأَنتُمۡ لَا تُظۡلَمُونَ﴾
(হে মুসলিমগণ!) তোমরা তাদের (মুকাবিলার) জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-ছাউনি প্রস্তুত কর,
যা দ্বারা তোমরা আল্লাহর শত্রু ও নিজেদের (বর্তমান) শত্রুদেরকে সন্ত্রস্ত করে রাখবে এবং তাদের ছাড়া সেই সব লোককেও, যাদেরকে তোমরা এখনও জান না; (কিন্তু) আল্লাহ তাদেরকে জানেন। তোমরা আল্লাহর পথে যা-কিছু ব্যয় করবে, তা তোমাদেরকে পরিপূর্ণরূপে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
(আল আনফাল – ৬০)
গোটা মুসলিম উম্মাহর প্রতি এটাই স্থায়ী নির্দেশ যে,তারা যেন ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর জন্য প্রভাব প্রতিপত্তি বিস্তার প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে
সব রকমের প্রতিরক্ষা শক্তি গড়ে তোলে।
#রণ প্রস্তুতি বিশেষ কোন অস্ত্রের উপর নির্ভরশীল নয়।
বরং যখন যে ধরনের প্রতিরক্ষা শক্তি কাজে আসে তখন সেই রকমের শক্তি অর্জনবমুসলিমদের জন্য করা অবশ্য কর্তব্য /ওয়াজিব ।
লেখক; মুফতি খাদেমুল ইসলাম নূর কাসেমী